যাদবপুর Ragging : ইউনিভার্সিটির হোস্টেল না বাবুদের বাগানবাড়ি

0
39

যাদবপুর Ragging

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের কথা এখন মুখে বলতে লজ্জা লাগে, এত বড় বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্দরমহলে এত কিছু আজ এত বছর ধরে ঘটে চলেছে আমরা হয়তো জনেই পারতাম না।

স্বপ্নদীপ কুণ্ডুর মৃত্যু এই দেশবাসীর চোখ খুলে দিয়েছে, শুধু শুধু একটা তরতাজা প্রাণ কেড়ে নিলো, এখনও কী আমরা সিস্টেম এর দোহাই দিয়ে ছেড়ে দেবো। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কী কোনো ভূমিকা নেই এখানে যেমন সন্দেহ হয় সেইরকম খুব জানতেও ইচ্ছা করছে এত গুলো দিন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সবকিছু জেনেও করছিলটা কী?

যে বিশ্ববিদ্যালয়ের সারাবিশ্বে এত নাম ডাক, যেখানে পড়াশুনা করানোর জন্য প্রত্যেক মা বাবা স্বপ্ন থাকে সেই বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের রুল এবং ডিসিপ্লিন নিয়ে কোনো কোনো ভূমিকা নেয় , যেখানে দিনের পর দিন বহিরাগত অসামাজিক মানুষদের বাসস্থান, তার থেকে ভালো আমাদের ছেলেরা অশিক্ষিত থেকে গ্রামের বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়বে, তাতে তো আর স্বপ্নদীপর মতো নিষ্পাপ তরতাজা প্রাণের বলিদান দিতে হবে না।

আমরা বলি না যে “মানুষ ঠকেই শিখে”, কিন্তু তার জন্য প্রাণের বলিদান দিতে হবে এটা বলে ঠিক মনটাকে মানতে পারছিনা। বলতে খুব খারাপ লাগছে আর কী কোনো বাবা মা দেখবে স্বপ্ন, তার নিজের ছেলে কে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ানোর ! আর হয়তো ইচ্ছে থাকলেও এত বড় বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াতে কেউই চাইবে না। মন চাইলেও ভয়ে আর পাঠাবে না ,যদি আমার কোথায় সহমত না হন তাহলে একবার জিজ্ঞাসা করে দেখুন স্বপ্নদীপ এর বাবা মা কে আর বলুন আপনার যদি আরেকটি ছেলেকে সারাজীবন ফ্রী তে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় পড়াশুনা করাই তাহলে আপনি আর পাঠাবেন কী ? আপনারা উত্তর পেয়ে যাবেন ।

 

 

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here